ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী

Estimated Reading Time: 17 Minutes

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ শতাংশ। বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে। বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।

গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী

চাকমা

জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী চাকমা। চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং তাদের প্রধান ধর্মীয়গ্রন্থ ত্রিপিটক। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্য চাকমাদের শিক্ষার হার সব থেকে বেশি। আরও তথ্য –

  • ‘চাকমা’ শব্দের অর্থ মানুষ।
  • চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় – বিজু।
  • ধর্মীয় উৎসব – ফাল্গুনী পূর্ণিমা।
  • চাকমা বিদ্রোহের নায়ক – জুম্মা খান।
  • চাকমা গ্রামকে বলা হয় – আদম। গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – কারবারি।
  • কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় – মৌজা। মৌজাপ্রধানকে বলা হয় – হেডম্যান।
  • চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস – ফাবো (২০০৪)।

মারমা

সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। মারমারা ‘মগ’ নামেও পরিচিত। তাদের আদি নিবাস আরাকান এবং তারা জাতিতে মঙ্গলীয়। তিন পার্বত্য জেলায় মারমাদের আবাস থাকলেও তাদের মূল জনগোষ্ঠী বান্দরবন জেলায় বসবাস করে। আরও তথ্য –

  • মারমা বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সাংগ্রাই।
  • মারমাদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব – ওয়াগ্যই বা প্রবারণা পূর্ণিমা।
  • মারমা গ্রামকে বলা হয় – রোয়া এবং গ্রামপ্রধানকে বলা হয় – রোয়াজা বা কারবারি।
  • ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ব্যক্তি ইউ কে সিং মারমা। তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

সাঁওতাল

সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশের ৩য় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তারা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর। সাঁওতাল সমাজের মূলভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একটি বড় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়। ১৮৫৫ সালে সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই কানু আর সাদু। এছাড়া তেভাগা আন্দোলনে সাঁওতালদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।

গারো

গারোরা মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী। গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। এ সমাজে মা পরিবারের প্রধান ও সম্পত্তির মালিক। প্রথা অনুযায়ী এ সমাজে পারিবারিক সম্পত্তির মালিক মেয়েরা। তবে শুধুমাত্র নির্বাচিত মেয়েই সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করে। এই নির্বাচিত মেয়েকে গারো ভাষায় ‘নক্না’ বলা হয়। সাধারণত পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যা সন্তানকেই ‘নক্না’ নির্বাচন করা হয়। গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে বা পাহাড়ের মানুষ বলে পরিচয় দেয়। তাদের ভাষার নামও আচিক ভাষা। তাদের আদি ধর্মের নাম ‘সংসারেক’। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী।

খাসিয়া

বাংলাদেশের সিলেট ও ভারতের আসামে এ জনগোষ্ঠী বসবাস করে। তাদেরকে ‘খাসি’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। খাসিয়া সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। খাসিয়া গ্রামগুলোকে পুঞ্জি বলে এবং গ্রাম প্রধানকে বলা হয় ‘সিয়েন’।

রাখাইন

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি জাতিগোষ্ঠী। এরা মূলত পটুয়াখালী জেলায় বসবাস করে। এদের আদি নিবাস আরাকান। এরা সমতলে বসবাসকারী মগের বংশধর। আর্য বংশোদ্ভূত প্রকৃতি উপাসক রাখাইনরা প্রাচীনযুগে মগধ রাজ্যে বসবাস করত। রাখাইনদের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। তাদের প্রচলিত নৃত্যের মধ্যে প্রদীপ নৃত্য, শিশু নৃত্য, পুষ্পনৃত্য, জলকেলি নৃত্য, ছাতা নৃত্য, পাখা নৃত্য, রাখাল নৃত্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তাদের নিজস্ব বাদ্যযন্ত্র আছে। আরও তথ্য –

  • রাখাইন বড় ধর্মীয় উৎসব – বুদ্ধপূর্ণিমা।
  • বর্ষবরণ উৎসবের নাম – সান্দ্রে।
  • দেশের একমাত্র জড় উপাসক উপজাতি – সাঁওতাল।

এক নজরে –

উপজাতিগ্রামগ্রাম প্রধানউৎসব
চাকমাআদমকারবারিবিজু, ফাল্গুনী পুর্ণিমা
মারমারোয়ারোয়াজা/কারবারিসাংগ্রাই, ওয়াগ্যই বা প্রবারণা পূর্ণিমা
সাওতালসোহরাই
খাসিয়াপুঞ্জিসিয়েন

জাতিগোষ্ঠীগুলোর অঞ্চলভিত্তিক অবস্থান

দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল

গোষ্ঠীবাসস্থান
চাকমারাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার
মারমাবান্দরবন, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
ম্রো/মুরংবান্দরবন (চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে)
ত্রিপুরাখাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী
তঞ্চঙ্গ্যারাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম
লুসাইখাগড়াছড়ি, বান্দরবন, রাঙ্গামাটি
পাংখোয়াবান্দরবন ও রাঙ্গামাটি
খিয়াংরাঙ্গামাটি, বান্দরবন, চট্টগ্রাম
রাখাইনপটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার

****পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১১টি জাতিসত্তা বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, লুসাই, খুমি অন্যতম।পার্বত্য তিন জেলাতেই বসবাস করে এমন উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী হল – চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা ও লুসাই। ত্রিপুরাদের (টিপরা) বাংলাদেশের সিলেট ও কুমিল্লা জেলাতেও বসবাস করতে দেখা যায়।

উত্তর-পূর্ব অঞ্চল

গোষ্ঠীবাসস্থান
গারোময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও গাজীপুর
খাসিয়া/খাসিসুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট (জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে)
মণিপুরিমৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও সিলেট। তাদের প্রধান আবাসস্থল মৌলভীবাজার।
হাজংময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও সিলেট
পাঙনমৌলভীবাজার
শবরমৌলভীবাজার, সিলেট
মুণ্ডাসিলেট, যশোর ও খুলনা

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল

গোষ্ঠীবাসস্থান
সাঁওতালদিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর। প্রধান আবাসস্থল দিনাজপুর।
রাজবংশীরংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও ময়মনসিংহ। প্রধান আবাসস্থল রংপুর।
ওরাওঁদিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়া
কোলচাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী

ধর্ম

প্রধান ধর্মগোষ্ঠী
বৌদ্ধচাকমা, মারমা, ম্রো/মুরং, রাখাইন
খ্রিষ্টানসাঁওতাল, গারো, খাসিয়া/খাসি
হিন্দুসাঁওতাল, ত্রিপুরা
সনাতনমনিপুরি
ইসলামপাঙন, লাউয়া
প্রকৃতি উপাসকওরাওঁ

ভাষা

গোষ্ঠীভাষা
চাকমাচাকমা ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে।
মারমামারমা ভাষা। ভাষার নিজস্ব হরফ আছে।
সাঁওতালসাঁওতালি। এটি অনক্ষর ভাষা যার নিজস্ব বর্ণমালা নেই ।
ত্রিপুরাককবরক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
গারোআচিক খুসিক/ মান্দি। এটি অনক্ষর ও অলিখিত একটি প্রাচীন অনাযর্ ভাষা। তবে বাংলা হরফে গারো ভাষা স্বাচ্ছন্দে লেখা যায়।
মুরংম্রো। পূর্বে নিজস্ব বর্ণমালা না থাকলেও বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
মণিপুরীমৈ তৈ / মণিপুরী ভাষা। নিজস্ব বর্ণমালা আছে।
রাখাইনআরাকানী / রাখাইন ভাষা
ওরাওঁকুরুখ / শাদরি। উত্তরবঙ্গের ওঁরাও সম্প্রদায় কুরুখ ভাষা ও সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহী অঞ্চলের ওঁরাওরা সাদরি ভাষা ব্যবহার করে। নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
খাসিয়াপাড়, লিংগাম ও ওয়ার। রোমান হরফে লেখা হয়।
কোলকোল/মান্দারী/ খেড়োয়াড়ী। বর্তমানে নিজস্ব বর্ণমালা আছে।

উৎসব

গোষ্ঠীসব
চাকমা বিজু, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা
মারমাসাংগ্রাই, ওয়াগ্যই, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘি পূর্ণিমা, বৈশাখী পূর্ণিমা
সাঁওতালসোহরাই উৎসব (পৌষ সংক্রান্তির দিন উদ্যাপিত হয়), বাহা (বসন্তে ফুলফোটার উৎসব), স্যালসেই উৎসব, বোঙ্গাবোঙ্গি উৎসব
গারোওয়ানগালা (ফসল ঘরে তোলার উৎসব)
 ত্রিপুরাবৈসুব 

বৈসাবি উৎসব: পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধান ৩টি আদিবাসী সমাজ: চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা – এর বর্ষবরণ উৎসব। এটি তাদের অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান। উৎসবটিকে ত্রিপুরা জনগষ্ঠী বলে বৈসুব, বৈসু বা বাইসু , মারমারা বলে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের বলে বিজু। এই তিনটি উৎসবের প্রথম অক্ষর গুলো নিয়ে ‘বৈসাবি’ নামকরণ করা হয়েছে।

85
Created on

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী

বিগত সালের প্রশ্ন

1 / 37

কোন নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন 'সাংগ্রাই' (জল উৎসব) পালন করে?

2 / 37

'বৈসু' কোন উপজাতিদের বর্ষবরণ উৎসব?

3 / 37

বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরি নাচ কোন অঞ্চলের?

4 / 37

কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম?

5 / 37

মুরংদের উৎসবের নাম কি?

6 / 37

'সোহরাই' কাদের উৎসব?

7 / 37

'ওয়াংগালা' উৎসব কাদের?

8 / 37

'রেংমিচটা' বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত একটি গোত্রের ভাষা?

9 / 37

বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা আছে?

10 / 37

জুম চাষ হয় -

11 / 37

পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করে তাকে কি বলা হয়?

12 / 37

কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকের বাড়িতে অতিথি এলে পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে?

13 / 37

খাসিয়া গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত?

14 / 37

মাতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থার উদাহরণ -

15 / 37

কোন বাংলাদেশী উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক?

16 / 37

মারমা উপজাতির পারিবারিক কাঠামো-

17 / 37

পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি উপজাতি বাস করে?

18 / 37

কোল নৃ-গোষ্ঠী কোন জেলায় বসবাস করে?

19 / 37

রাজবংশী নামক আদিবাসীদের অবস্থান বাংলাদেশের কোন জেলায়?

20 / 37

অধিকাংশ মণিপুরীর নৃ-জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বাস করে?

21 / 37

খাসিয়া উপজাতি বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?

22 / 37

The tribe 'Hajong' mainly lives in -

23 / 37

কোন জেলায় রাখাইন জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি?

24 / 37

Where does Rakhain tribe mainly live?

25 / 37

ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ের অধিবাসী গারো জাতিগোষ্ঠীর প্রকৃত নাম -

26 / 37

কোন উপজাতির আবাসস্থল 'বিরিশি' নেত্রকোনায়?

27 / 37

গারো উপজাতি কোন জেলায় বাস করে?

28 / 37

মারমা উপজাতিরা কোন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে?

29 / 37

মগরা বাংলাদেশের কোথায় বাস করে?

30 / 37

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি কোনটি?

31 / 37

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর উপজাতি গোষ্ঠী কোনটি?

32 / 37

চাকমা জনগোষ্ঠীর লোক সংখ্যা সর্বাধিক?

33 / 37

Which one is the largest tribe in Bangladesh?

34 / 37

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?

35 / 37

বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় -

36 / 37

বাংলাদেশে কয়টি উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে?

37 / 37

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী (উপজাতি) এর সংখ্যা কতটি?

Your score is

The average score is 67%

0%

Leave a Reply